Halloween Costume ideas 2015
"বিনোদন"

রাখি পরবেন বাঙালি পোশাক!


প্রথমবাররে মতো ঢাকাই সনিমোয় দখো যাবে হন্দিি সনিমোর অভনিত্রেী রাখি সাওয়ান্তক।ে অনন্য মামুনরে নর্মিতিব্য ‘আমি তোমার হতে চাই’ সনিমোর ‘ডজিটিাল প্রমে’ আইটমে গানটতিে নাচবনে তনি।ি গানটতিে পুরোদস্তুর বাঙালি সাজইে নাকি দখো যাবে আলোচতি এই ভারতীয় তারকাক।ে
এ প্রসঙ্গে অনন্য মামুন গ্লটিজকে বলনে, “বাংলাদশেরে সংস্কৃতি ও সমাজরে সাথে সামঞ্জস্যর্পূণ পোশাক পরয়িইে রাখরি গানরে দৃশ্যায়ন করা হব।ে এখানে যাতে সমালোচনার কোনো বষিয় একবোরইে না থাক,ে সদেকিে আমাদরে কড়া নজর আছ।ে তার পোশাকে অবশ্যই বাঙালয়িানা ভাব থাকব।ে”
অভনিত্রেী হসিবেে রুপালি জগতে এলওে রাখি সাওয়ান্ত র্দশকরে নজর কড়েছেনে যৌন উত্তজেক আইটমে গানে নচেইে। এছাড়াও, ভারতীয় বশে কছিু রয়িালটিি শোতে তার উপস্থতি,ি নানা সময়ে তারকাদরে নয়িে উদ্ভট মন্তব্য ও রাজনীতরি মাঠে নামা শরিোনামে এনছেে তাক।ে বগিত কয়কেবছরে বনিোদন জগতে তমেন সক্রয়ি না থাকলওে আলোচনা ও সমালোচনার কন্দ্রেে অনকেবারই এসছেনে তনি।ি
নজিরে সনিমোর এরকম একজন বর্তিকীত ব্যক্তত্বিকে সংযোজনরে বষিয়টি ঝুঁকি হয়ে যাচ্ছে কি না, গ্লটিজ- এর এমন প্রশ্নরে উত্তরে অনন্য মামুন বলনে, “প্রত্যকে মানুষ তার জীবনে তখনই সমালোচতি হন, যখন তার জনপ্রয়িতা থাক।ে যখন কারও জনপ্রয়িতা থাকনো তখন কউে তার সর্ম্পকে আলোচনাও করনো কংিবা সমালোচনাও করে না। আমি মনে করনিা রাখি সাওয়ান্তকে নয়িে কোন ঝুঁকরি আশঙ্কা আছ।ে”
তনিি আরও বলনে, “আমি রাখি সাওয়ান্তরে জনপ্রয়িতাকে কাজে লাগানোর জন্যই ‘আমি তোমার হতে চাই’ সনিমোর আইটমে গানে কাস্টংি করছে।ি এরমধ্যইে তার সঙ্গে সব ধরণরে চুক্তওি সম্পন্ন হয়ছে।ে”
তবে রাখি সাওয়ান্তকে নাকি বাংলাদশেরে র্দশকরা বশে ভাবইে গ্রহণ করবনে বলে বশ্বিাস মামুন-এর।
তনিি বলনে, “আমার বশ্বিাস বাংলাদশেরে র্দশকরা রাখকিে যথষ্টে ইতবিাচক হসিবেে গ্রহণ করব।ে তাছাড়া এই গানে সকলরে জন্য একটা চমকও থাকব।ে”
‘ডজিটিাল প্রমে’ গানটতিে কন্ঠ দয়িছেনে মমতাজ। আর গানরে কথা ও সঙ্গীত পরচিালনা করছেনে শফকি তুহনি।
১৯৯৭ সালে অমতি সুরয়িাভান্সরি ‘অগ্নচিক্র’ সনিমোয় অভনিয়রে মাধ্যমে বলউিডে অভষিক্তি হন রাখি সাওয়ান্ত। পররে ছয় বছর হন্দি,ি মারাঠ,ি তলেগেু, মালায়ালামসহ বভিন্নি ভাষার অনকে সনিমোর বভিন্নি চরত্রিে অভনিয় ও আইটমে গানে নাচনে তনি।ি
তবে সাফল্য মলেে ২০০৩ সালে ‘চুরালয়িা হে তুমন’ে সনিমোর ‘মোহাব্বাত মরিচ’ি আইটমে গানটরি মাধ্যম।ে ২০০৫ সালে ‘ডজিে হট রমিক্সি ভলয়্যিুম থ্র’ি- এর ‘পারদসেয়িা’ গানটরি মাধ্যমে আবারও আলোচনায় আসনে।
ভারতীয় বভিন্নি রয়িালটিি শো ‘বগি বস ওয়ান’, ‘নাচ বালয়িে থ্র’ি, ‘কমডেি র্সাকাস কি মহাবল’ি ও ‘রাখি কা সায়াম্ভার’-এ অংশ নয়িছেনে তনি।ি ২০১৪ সালে ভারতরে লোকসভা নর্বিাচনে অংশ নওেয়ার মাধ্যমে রাজনীতরি ময়দানে নামনে তনি।ি
লাইভ টকেনোলোজসি প্রযোজতি ‘আমি তোমার হতে চাই’ সনিমোয় কন্দ্রেয়ি চরত্রিে অভনিয় করছনে বদ্যিা সনিহা সাহা মমি ও বাপ্পী চৌধুরী। চত্রিনাট্য লখিছেনে মামুন নজিইে।
সবকছিু ঠকিঠাক থাকলে বুধবার থকেে শুরু হবে সনিমোর দৃশ্যধারণরে কাজ। তবে ২৩ জুন ঢাকার বভিন্নি লোকশেন করা হবে রাখি সাওয়ান্তরে আইটমে গানটরি শুটংি।



জনপ্রিয় টিভি সিরিজ 'গেইম অফ থ্রোনস'-এর প্রথম দুই সিজনে অভিনয় করা সাহারা নাইট নিজেই দাবী করলেন, বাস্তব জীবনে তার পেশা একজন ‘অভিজাত গণিকা’র।
ল্লেখ্য, নগ্নতা এবং রগরগে দৃশ্যের জন্য আলোচিত টিভি সিরিজটিতেও সাহারা নাইটের চরিত্র ছিল একজন যৌনকর্মীরই। 'গেইম অফ থ্রোনস'-এর দ্বিতীয় সিজনে একটি বিখ্যাত নারী সমকামী যৌন দৃশ্যে দেখা যায় তাকে, যেটি নিয়ে পরে সৃষ্টি হয়েছিল তুমুল বিতর্ক।
বর্তমানে ব্রিটেনে বসবাসরত প্রাপ্তবয়স্ক সিনেমার নিয়মিত এই অভিনেত্রী একজন রক্ষীতার ভূমিকায় পালন করেন, জানিয়েছে ব্রিটিশ ওয়েবসাইট 'মিরর ডটকম'।

ভারতীয় বংশোদ্ভুত হলেও নিজের বর্তমান পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এই অভিনেত্রী। একসময় সায়েদা ভোরাজি নামে পরিচিত হলেও আসল নাম বদলে রেখেছেন সাহারা নাইট।
ষাটের দশকে সাহারার পুরো পরিবার ভারত থেকে চলে আসেন ব্রিটেনের লন্ডনে। মুসলিম পরিবেশে বেড়ে উঠলেও প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে পারিবারিক পরিচয় ত্যাগ করে ফ্যাশন জগতে প্রবেশ করেন সাহারা।
ওই সময়েই পর্নোগ্রাফিতে ক্যারিয়ার গড়েন সাহারা। নিজের ওয়েবসাইটে পরিচয় হিসেবে লিখেছেন, "কেন্ট এবং লন্ডনে বসবাসরত একজন স্বাধীন ভারতীয় রক্ষিতা এবং অভিজাত গণিকা।"


বেশকটি আন্তর্জাতিক আসরে পুরস্কৃত আলোচিত চিত্রনাট্য ‘শঙ্খধ্বনি’ চলচ্চিত্রে রূপ পেতে যাচ্ছে সরকারি অনুদানে; কামার আহমেদ সাইমন ও সারা আফরীনের চিত্রনাট্যে সিনেমাটি পরিচালনা করবেন সাইমন।
২০১৫-১৬ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পেয়েছে ১২টি চলচ্চিত্র, যার মধ্যে সাতটি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও পাঁচটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র রয়েছে।
বুধবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুদানের বিষয়টি জানানো হয়।
এতে বলা হয়, “স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবীয় মূল্যবোধসম্পন্ন জীবনমুখী, রুচিশীল ও শিল্পমানসম্পন্ন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে সরকার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের অনুদান প্রদান করছে।
“পাশাপাশি গল্প লেখক ও চিত্রনাট্যকারকেও উৎসাহ পুরস্কার প্রদানের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।”
পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ক্যাটাগরিতে অনুদান পাওয়া চলচ্চিত্রগুলো হল-- ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’, ‘শঙ্খধ্বনি’, ‘দেবী’, ‘গহীন বালুচর’, ‘বৃদ্ধাশ্রম’, ‘সাবিত্রী’ ও ‘বধ্যভূমিতে একদিন’।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, এই সাত চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’, ‘শঙ্খধ্বনি’ ও ‘দেবী’ চলচ্চিত্র তিনটি ৫০ লাখ টাকা করে অনুদান পাবে। ‘গহীন বালুচর’, ‘বৃদ্ধাশ্রম’ ও ‘সাবিত্রী’ পাবে ৪০ লাখ টাকা করে।
আর পূর্ণ্যদৈঘ্য প্রামাণ্যচিত্র ‘বধ্যভূমিতে একদিন’ পাবে ২০ লাখ টাকা।
চলচ্চিত্র নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম কিস্তিতে অনুদানে বরাদ্দ মোট অর্থের ৩০ শতাংশ হিসেবে কোন পরিচালক কত টাকা পাবেন তাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
মুহম্মদ জাফর ইকবাল, মোরশেদুল ইসলাম ও মারুফ বরকতের চিত্রনাট্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’ নির্মাণ করবেন নন্দিত নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম।
বেশকটি আন্তর্জাতিক আসরে পুরস্কৃত আলোচিত চিত্রনাট্য ‘শঙ্খধ্বনি’ এবার পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্রের রূপ পেতে যাচ্ছে। কামার আহমেদ সাইমন ও সারা আফরীনের চিত্রনাট্যে সিনেমাটি পরিচালনা করবেন কামার আহমেদ সাইমন।
নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘দেবী’ অবলম্বনে সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন জয়া আহসান। তার সঙ্গে যৌথ পরিচালক হিসেবে নাম রয়েছে মাকসুদ হোসাইনের।
হুমায়ূন আহমেদের দেবী উপন্যাস থেকে সিনেমা নির্মাণের অনুদান পেয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান
নিজের চিত্রনাট্যে ‘গহীন বালুচর’ নামে সিনেমাটি নির্মাণ করবেন টিভিনাটকের ব্যস্ততম নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ। সিনেমাটির প্রযোজক হিসেবেও তার নাম রয়েছে।
‘বৃদ্ধাশ্রম’ শিরোনামের চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করবেন স্বপন চৌধুরী। তুষার আব্দুল্লাহ ও পান্থ প্রসাদের চিত্রনাট্যে ‘সাবিত্রী’ নির্মাণ করবেন পান্থ প্রসাদ।
পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র ‘বধ্যভূমিতে একদিন’ নির্মাণ করবেন কাওসার চৌধুরী, যার চিত্রনাট্য তিনি নিজেই লিখেছেন।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (চলচ্চিত্র) মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অনুদানের প্রথম চেকপ্রাপ্তির নয় মাসের মধ্যেই চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্পন্ন করতে হবে। সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনোভাবেই শিল্পী-কলাকুশলী-গল্প ও চিত্রনাট্যে কোনো পরিবর্তন করা যাবে না। একইসঙ্গে সিনেমাটি নকল বলে প্রমাণিত হলে অনুদানের পুরো অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে, এমনকি সরকার আইনগত ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে পারে।
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শাখায় অনুদান পাওয়া চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘নামহীন গোত্রহীন’, ‘ব্রাত্যজন’, ‘সাইকেল বালক’, ‘জলকন্যা’ ও ‘বক্তাবলীর কান্না’।
এই পাঁচটি চলচ্চিত্রই পাবে ১০ লাখ টাকা করে অনুদান।
‘নামহীন গোত্রহীন’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করবেন রাজীব আহসান। আবু সাঈদ রাব্বি নির্মাণ করবেন ‘ব্রাত্যজন’, দেওয়ান বাদল ‘জলকন্যা’, শাহজাহান শামীম ‘বক্তাবলীর কান্না’ নির্মাণ করবেন।
নীতিমালা অনুযায়ী স্বল্পদৈর্ঘ্য শাখায়ও একটি শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। এ শাখায় ‘সাইকেল বালক’ শিরোনামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন হাবিব।
স্বল্পদৈর্ঘ্য শাখায় চলচ্চিত্র নির্মাণের শর্তে বলা হয়েছে, অনুদানের প্রথম চেকপ্রাপ্তির তারিখ থেকে ছয় মাসের মধ্যে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। এক্ষেত্রে পাঁচ নির্মাতাই প্রথম দফায় তিন লাখ টাকা অনুদান পাবেন।
নির্মাতাদের মধ্যে মোরশেদুল ইসলাম এর আগেও সরকারি অনুদান পেয়েছেন। সরকারি অনুদানে তিনি নির্মাণ করেছিলেন ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ চলচ্চিত্রটি।



প্রয়াত কথাসাহিত্যিক এবং নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের নির্দেশনাতেই অনেক বছর আগে ‘এসো’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন মেহের আফরোজ শাওন। সেই শাওনই এবার ক্যামেরার পেছনে; জাকিয়া বারী মমকে নিয়ে নতুনভাবে তিনি তৈরি করলেন ধ্রুপদী এই প্রেমের নাটকটি।
বড় পর্দায় যুগের পরিবর্তনে সাহিত্যনির্ভর সিনেমার রিমেইক হওয়ার চল নতুন নয়। কিন্তু ছোটপর্দার ক্ষেত্রে এটা সচারচর দেখা যায় না। তাহলে ‘এসো’ পুনর্নিমাণের পেছনের কারণটা কী?
গ্লিটজের এমন প্রশ্নের জবাবে শাওন বলেন, “কিংবদন্তী সাহিত্যিকদের সৃষ্টি নির্ভর কাজ কিন্তু একটা সময়ের পরে রিমেইক করতেই হয়। সিনেমার ক্ষেত্রে এটা হরহামেশাই ঘটছে। এমনকী নাটকেও হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একেকটা গল্প নিয়েই তো কয়েকশ বার কাজ করা হয়ে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “সেরকমভাবেই একটা সময় আসবে, যখন হুমায়ূন আহমেদের একটি গল্প নিয়ে দশ-বারো বার নাটক-সিনেমা হবে। বলতে গেলে সেই চিন্তা থেকেই ‘এসো’ রিমেইক করা।”
তাহলে কি, এখন থেকে হুমায়ূন আহমেদ-এর পুরানো নাটকগুলোর রিমেইক নিয়মিতভাবেই দেখতে পাবেন দর্শকেরা?
শাওন অবশ্য এ ব্যাপারে খুব একটা আশাবাদী নন।
তিনি বলেন, “আমার মনে হয়না নিয়মিত তার নাটকগুলো রিমেইক করা হবে। তবে, হুমায়ূন আহমেদের ছোটগল্পের সংখ্যা খুব বেশি নয়। সেক্ষেত্রে গেল বছর থেকেই আমি ভাবছি, তার একঘন্টার নাটকগুলো; যেগুলো পুরানো হয়ে গিয়েছে, সেগুলো নতুনভাবে তৈরি করা যায়।”
“এমনিতে এখন বছরে হুমায়ূন আহমেদ-এর চার-পাঁচটা নাটক হয়। কিন্তু আমি আরেকটু কমিয়ে দিতে চাইছি। বছরে হুমায়ূন আহমেদের একটার বেশি এক ঘন্টার নাটক করা উচিত বলে আমার মনে হয় না। তার চলচ্চিত্র, ধারাবাহিক ও যে উপন্যাসগুলো রয়েছে সেগুলো নিয়ে কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি।”
দীর্ঘসময় পর ‘এসো’ নাটক নিয়ে আবার কাজ করলেন, পুরানো দিনের কথা মনে করে একটুও কি স্মৃতিকাতর হননি?
স্মৃতির পাতা উল্টে শাওন বলেন, “আমি আর ফেরদৌস যখন ‘এসো’ নাটকে কাজ করেছিলাম তখন তিনি কেবলই ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ দিয়ে অভিনয়ে এসেছেন। আর আমিও খুবই অল্প বয়সের ছিলাম। আর তখন তো এখনকার ছেলে-মেয়েদের মতো মাসের তিরিশ দিনই কাজ করতাম না আমরা। পুরো ব্যাপারটাই আমার কাছে দশটা-পাঁচটা অফিসের মতো লাগে। ক্রিয়েটিভিটির জায়গাটাই নষ্ট হয়ে যায়। এসব কথা চিন্তা করলেই স্মৃতিকাতর হয়ে যাই!”
মূল ‘এসো’ নাটকটির গল্প এগিয়েছিলো ল্যান্ডফোনের যুগে দুই তরুণ-তরুণীর প্রেমের গল্প নিয়ে। এখনকার এই মোবাইল ফোনের সময়েও নাটকে ল্যান্ডফোনের ব্যাবহার হয়েছে?
এ প্রসঙ্গে শাওন বলেন, “আমিও নাটকে ল্যান্ডফোনের ব্যবহার করেছি। ‘এসো’ নাটকের থিমটাই হলো টেলিফোনে প্রেম নিয়ে। এখানে ছেলেটির কণ্ঠ শুনে মেয়েটির প্রেম হয়ে যায়। এখনকার সময়ে তো কোন ছেলে কোন মেয়েকে সেলফোনে বিরক্ত করলে তার কলব্লক করা যায়। কিন্তু ল্যান্ডফোনে সেই সুযোগই ছিল না। সেক্ষেত্রে আমরা যদি ল্যান্ডফোন না রাখি, তাহলে নাটকটাই আর দাঁড়ায় না।”
শাওনের মতে মোবাইল ফেনের যুগে এসেও ‘এসো’ নাটকের আবেদন রয়ে গেছে আগের মতোই।
“একটা ছেলে ল্যান্ডফোনে একটা মেয়েকে ফোন করে, মেয়েটা সেই ফোনটা ধরে। ফোনে দুষ্টুমি করে, এই দুষ্টুমি করতে গিয়েই তাদের মধ্যে একটা সখ্যতা তৈরি হয়। আসলে ‘এসো’ খুবই সাধারন, মিষ্টি একটা প্রেমের গল্প। আর তাই ‘এসো’র আবেদন রয়ে যাবে সব যুগেই।”
ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে একটি বেসরকারী চ্যানেলে প্রচারিত হবে নাটকটি। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাকিয়া বারী মম এবং সাজ্জাদ।


দুইবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী জয়া আহসান এবার চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
হুমায়ূন আহমেদের দর্শকনন্দিত উপন্যাস ‘দেবী’ অবলম্বনে ‘দেবী’ সিনেমার মাধ্যমেই প্রযোজকের খাতায় নাম লিখিয়েছেন তিনি।
‘দেবী’ সিনেমাটি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি অনুদান পেয়েছে।
জয়া আহসান বলেন, “চলচ্চিত্র প্রযোজনায় আসার ইচ্ছা অনেক আগে থেকেই ছিল। এবার সব কিছু গুছিয়ে এনে চলচ্চিত্র প্রযোজনায় আসছি।”
তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে পরিচালক হিসেবে জয়ার নাম থাকলেও তিনি জানালেন, সিনেমাটি তিনি পরিচালনা করবেন কি না তা এখনও চূড়ান্ত নয়। তবে তাতে অভিনয় করছেন তিনি।
“সিনেমাতে আমি প্রযোজক ও প্রস্তাবক হিসেবে থাকছি এটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি। হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসটি মনের মধ্যে গেঁথে ছিল। উপন্যাসটি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমি হুমায়ূনপত্নী মেহের আফরোজ শাওনের অনুমতিও নিয়েছি। তিনি ভীষণ খুশি হয়েছেন।”
সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র নীতিমালায় প্রথম চেক পাওয়ার দিন থেকে নয় মাসের মধ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণ শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
জয়া বলেন, “আমি চলচ্চিত্র নীতিমালা অনুযায়ী সিনেমাটি নির্মাণ করব। খুব শিগগিরই সিনেমাটির নির্মাণ কাজ শুরু করব।”
আগামী ঈদে কোনো পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তি না পেলেও জয়া অভিনীত ‘ভালোবাসার ‍শহর’ নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তি পেতে যাচ্ছে।
ভারতীয় নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরীর এই চলচ্চিত্রে জয়া আহসান অভিনয় করছেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে।
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র আসরে পুরস্কার বাগিয়ে আনা ‘ফড়িং’ সিনেমাখ্যাত পরিচালক ইন্দ্রনীলের ‘বাঙালি ভূতের গপ্পো’ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে তার সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও গাঢ় হয় অভিনেত্রী জয়ার।
“ইন্দ্রনীলের নির্মাণ সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। আর কিছু কাজ আছে যা আমাদের অভিনেতা সত্তার ক্ষুধা মেটাতে করি। এটা আমার করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজের একটি। সিনেমাটি সমঝদার দর্শকের জন্য।”
এই চলচ্চিত্রে সাম্প্রতিক সময়ের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী মানবতাবিরোধী নানা অপরাধের কথা তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান জয়া।

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget